অসহায় ক্যান্সার রোগী খোঁজখবর নিতে ওসমানী হাসপাতালে আসকের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি
রুগীর বাড়ি হবিগঞ্জ মাধবপুর এলাকায়। ক্যান্সার রোগের জন্য তার আটটি কেমোর মধ্যেও সাতটি কেমো ইতিমধ্য দেয়া হয়েছে বাকি রয়েছে আরেকটি মাত্র কেমো। এমতাবস্থায় মাথায় ক্ষত নিয়ে ভিক্ষারত অবস্থায় রোগীটিকে রাস্তায় দেখতে পাই। প্রথমে মনে হয়েছিল রুগীটি সত্যিকারের প্রফেশনাল ভিক্ষুক । পরবর্তীতে সে জানায় সে অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হাসপাতালে তার পরিবার রয়েছে আছে। টাকা নাই বিধায় এখানে ভিক্ষা করে যে টাকা প্রতিদিন পায় এটা দিয়ে তারা খাওয়া-দাওয়া করে এবং ওষুধ কিনেন। এসময় আসকের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি রকিব আল মাহমুদকে তিনি হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে গিয়ে তিনি জানতে পারেন সে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম তাদের একমাত্র ছেলে , যে রিক্সা চালিয়ে সংসার চালায় । এই একটি কেমো দেওয়ার মত অর্থ তাদের কাছে নেই। এসময় তাদের সাংসারিক ব্যক্তিগত অনেক দুঃখের তিনি শুনেন । সকল কথা শুনার পর সভাপতি জনাব রকিব আল মাহমুদ কেমোটি দেওয়ার সকল খরচের দায়িত্ব নেন । এসময় তিনি এই অসুস্থ বাবার জন্য তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
অসহায় ক্যান্সার রোগী খোঁজখবর নিতে ওসমানী হাসপাতালে আসকের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি Read More »
আসক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে অজ্ঞাত নামা মায়ের অপারেশন সম্পন্ন
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের অর্থায়নে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এখন ভালো আছেন। হাসপাতালে সংস্থার সভাপতি অসুস্থ অজ্ঞাতনামা মাকে দেখতে জান। এসময় তিনি বলেন হাসপাতালে অজ্ঞাত নামা একজন মহিলা দীর্ঘ ৮ মাস চিকিৎসাধীন আছে। অভিভাবক ও অর্থের অভাবে তার অপারেশন হচ্ছে না। সংবাদ পেয়ে আমরা এই মায়ের পাশে দাঁড়াই এবং তখন থেকে এই মায়ের চিকিৎসা আসক ফাউন্ডেশন এর অর্থায়নে চলছে । আমরা প্রতিনিয়ত এই অজ্ঞাতনামা অসহায় মায়ের খোঁজখবর রাখছি। ওনার জন্য ইতিমধ্যে একজন মহিলাকে বেতন ভিত্তিক ভাবে রাখা হয়েছে । যাহাতে তিনি অসুস্থ রুগীটির সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করতে পারেন। তিনি আরো বলেন সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এই মায়ের পাশে আসক ফাউন্ডেশন থাকবে। যদি এই অজ্ঞাত নামা মায়ের ছবিটি দেখে কোন ব্যক্তি চিনে থাকেন তাহলে যোগাযোগ করার জন্য সভাপতি রকিব আল মাহমুদ সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করেন।
আসক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে অজ্ঞাত নামা মায়ের অপারেশন সম্পন্ন Read More »
বাবা ও সৎ মা কর্তৃক মেয়েকে হাত পা বেধে নির্যাতন। নির্যাতিত মেয়ের পাশে দাঁড়ালো আসক ফাউন্ডেশন।
সিলেট জৈন্তাপুর নিজপাট উজানীনগর এলাকার এসএসসি পরীক্ষার্থী বিথি আক্তার (ছদ্ম নাম) নিজ বাবা সেলিম আহমদ ও সৎ মা লায়লা বেগম কর্তৃক গত মে মাসে প্রচন্ডভাবে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে মর্মে জানা গিয়েছে । বিথির বক্তব্য অনুযায়ী ঘরের আড়ার সঙ্গে হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে মুখের ভিতর কাপড় ঢুকিয়ে বীথিকে নির্যাতন করা হয়েছে। মাইরের যন্ত্রণায় পানি চাইলেও তাকে পানি দেওয়া হয়নি মুখের আশপাশ থেকে যে রক্ত বেরিয়ে গালের কাছে এসেছে সেই রক্ত দিয়ে সে পানির তৃষ্ণা মিটিয়েছে। সৎমা ও বাবা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য অন্যের উপর নারী ও শিশু নির্যাতনের মিথ্যা মামলা দিতে বীথিকে তারা নির্যাতন শুরু করে। তারা চেয়েছিল বীথিকে নির্যাতন করে অন্যের উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করবেন। কিন্তু বাবা-মার কথায় সে রাজি না হলে বীথিকে আরো বেশি নির্যাতন করে রক্তাক্ত করে ফেলে , সারা শরীর থেটলে দেয়। একপর্যায়ে নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সে বাবা-মার কথায় রাজি হয়ে কোন ভাব মতে জীবন বাঁচায়। কিন্তু পরবর্তীতে কোনভাবেই বাবা-মার এই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়ে মিথ্যা মামলা সে করেননি। যে কারণেই বীথিকে তার বাবা মে মাস থেকে ভরণপোষণ ও লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে। শুধু এখানেই শেষ নয় , লেখা পড়া যাতে সে না করতে পারে তার জন্য চেয়ার টেবিল সব সরিয়ে নিয়েছে সৎমা ও বাবা। দু থেকে তিন বছর বয়সে বিথির বাবার সঙ্গে বিথির মার ডিভোর্স হয় সে থেকেই সাগরে ভাসছে বিথী। বিথি এসএসসি পরীক্ষার্থী থাকলেও তার লেখাপড়া বন্ধের মুখে ছিল বিষয়টি জানতে পেরে আসক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সিলেট বিভাগীয় সভাপতি জনাব রকিব আল মাহমুদ বীথির লেখাপড়ার সমস্ত দায়িত্ব নিয়েছেন। বিথির উপর এই অমানবিক নির্যাতনের জন্য সংস্থার পক্ষ হতে আদালতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।


