আমাদের দেশে প্রবাসীর নিরাপত্তা যদি নিশ্চিত করা যেত তাহলে আমাদের রেমিটেন্স আরো অনেকগুনে বেড়ে যেত। এদেশে প্রবাসীরা কোটি কোটি টাকা ইনভেস্টার হতেন। অন্যান্য হয়রানির পাশাপাশি বিশেষ করে প্রবাসীরা জমি সংক্রান্ত নিরাপত্তার ঝামেলায় বেশি থাকেন। কারণ প্রবাসীরা স্বল্প সময়ের ছুটিতে দেশে আসেন। দেশে আসার পর যখন দেখেন একজন প্রবাসীর জমি অন্য কোন কেউ দখলে নিয়ে গেছে বা দখল করার চেষ্টা করছে তখন আইন আদালতের শরণাপন্ন হলে আইনি জটিলতার কারণে এবং ছুটি শেষ হয় সেই সমস্যার সমাধান না করেই আবার তার প্রবাসে ফেরত যেতে হয়। তাই এই ব্যাপারে নীতি নির্ধারকদের এমন একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত যাতে প্রবাসীরা সহজেই তাদের যে কোন আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এমনই ভাবে গোলাপগঞ্জ হেতিমগঞ্জ এলাকার একজন সহজ সরলমনা সাবেক প্রবাসীর জমি জবরদখল নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভুগছেন। যতটুকু দেখলাম কাগজপত্র সবকিছুই সঠিক আছে। কিন্তু এই ব্যক্তি সহজ সরল হওয়ায় গ্রামের কিছু ভুমি খেকো লোক তার ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর জোরপূর্বক স্থাপনা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা হলেও শেষ পর্যায়ে এসে মামলা পরিচালনায় ব্যর্থ ছিলেন। এরই মধ্য ভুক্তভোগী মুরব্বি আইনি সহায়তার জন্য আমাদের সংস্থা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)- এর শরণাপন্ন হয়েছেন। ইনশাআল্লাহ আমরা প্রথম ধাপে প্রবাসী ভাইকে সহযোগিতা করতে জন্য সফল হয়েছি। আশা করি খুব শীঘ্রই ভালো একটা ফলাফল আসবে। প্রতিবেশী কোন প্রবাসী সমস্যায় পড়লে এভাবেই আমাদের প্রত্যেকই নিজ দায়িত্ব থেকে এগিয়ে যাওয়া উচিত।
