mashrufmahmudporosh

স্ত্রী কে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে, স্ত্রীর শরীরের কাপড় চোপড় সরিয়ে ভিডিও করে ভিন্ন স্ট্যাইলে যৌতুক দাবি করে শারীরিক নির্যাতন, ভুক্তভোগীর পাশে মানবাধিকার

আমাদের দেশে সত্যিকারে অনেক মেয়ে আছে যারা যৌতুক ও নির্যাতনের শিকার। মাদক এবং যৌতুকের নেশা মানুষকে অমানুষ করে দেয়। সিলেটের শাহপরান( রহঃ) থানাধীন সাদিপুরের মেয়ে বিথি (ছদ্ম নাম) এবং কুশিঘাটের ছেলে কামালের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের কয়েক দিন পর হতেই বাবার বাড়ি হতে সিএনজি কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। এদিকে মেয়ের বাবা গরীব। তিনি অন্যের সিএনজি ভাড়া করে চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। যৌতুক না পেয়ে প্রায়ই মেয়েটির নির্যাতনের শিকার হতে হয়। কামাল মাদকাসক্ত। তাই প্রায় প্রতি রাতেই মাদক সেবন করে বিথির সাথে সর্ব দিক দিয়ে খারাপ আচারন করে। একদিন বিথিকে শারীরিক নির্যাতন করার ফলে সে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরবর্তী রাতে বিথির শরীর ব্যথার জন্য ঔষধের কথা বলে কামাল ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দেয়। ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল বিথির শরীরের সকল পোষাক খুলে বিভিন্ন ভঙ্গিতে ভিডিও ধারন করে। পরবর্তী দিন বিথীকে সেই ভিডিও দেখিয়ে বাবার বাড়ি হতে সিএনজি আনতে বলে। এখানেই শেষ নয় এই ভিডিও বিথির বোন জামাইয়ের কাছে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য যে এত নির্যাতনের শিকার হয়েও গরীব মা বাবার কথা ভেবে বিথি বিষয়টি সহ্য করে গিয়েছেন। আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়ে আছে যারা এমনই নির্যাতন সহ্য কারে যাচ্ছে। ভিডিও পাওয়ার পর বিষয়টি তখন পুরো ঘোলাটে হয়ে পড়ে। অতঃপর বিথির অভিভাবক বিথিকে স্বামীর বাড়ি হতে নিয়ে আসে। পারিবারিক ভাবে বসা হলেও কোনো সমাধান হয়নি বরং কামাল ক্ষিপ্ত হয়ে এক রাতে বিথির বাবার ভাড়ায় চালিত সিএনজিতে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সব পুড়ে শেষ। এত কিছুর পরেও গরিব বিধায় বিথির পরিবার থানা কিংবা আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন নি। থানা কিংবা আদালতে শরণাপন্ন না হওয়ার আরেকটি কারণ হলো কামাল মাদকাসক্ত কিশোরগ্যাংগের সঙ্গে জড়িত ছিলো যেকোনো সময় পথে ঘাটে সে খারাপ কিছু করতে পারে । তাই এই ভয়ে তারা সামনে আগ বাড়ায়নি। সর্বশেষ কামালের নির্যাতন এতটাই খারাপ ছিল যে, তারা কোন উপায় পাচ্ছিল না। এমত অবস্থায় মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হন। এই সময় বিথি অন্তঃসত্ত্বা । সংস্থার পক্ষ থেকে বীথির সকল অভিযোগের তথ্য যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পাওয়া যায়। সংস্থার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিথি সুন্দর একটা সমাধানও পেয়েছে। সমাধানে বিথির পরিবারের খুবই খুশি। কিন্তু ভাবার বিষয় মানুষ এত খারাপ হতে পারে!!! যৌতুক এবং মাদকের জন্য এতটা নিচে নামতে পারে!! তাই প্রতিটি পরিবারের প্রতি অনুরোধ, মেয়ে বড় হওয়ার পর হতাশাগ্রস্ত না হয়ে , তাড়াহুড়া না করে, যে ছেলের হাতে তুলে দেবেন অন্তত তার প্রসঙ্গে একটু খোঁজখবর নিয়ে সময় সাপেক্ষ বিয়েটা সম্পন্ন করবেন।

স্ত্রী কে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে, স্ত্রীর শরীরের কাপড় চোপড় সরিয়ে ভিডিও করে ভিন্ন স্ট্যাইলে যৌতুক দাবি করে শারীরিক নির্যাতন, ভুক্তভোগীর পাশে মানবাধিকার Read More »

খুব সহজ সরল এবং খুব চালাক মেয়েরা খুব বেশি প্রতারণার শিকার হয়

ফেঞ্চুগঞ্জ পার হয়ে বিএডিসি এলাকার গরিব পরিবারের বাবা হারা সহজ সরল মেয়ে মিতা (ছদ্ম নাম)। পারিবারিকভাবে মায়ের বাড়ির আত্মীয়তার বিবাহ হয় গোলাপগঞ্জে রণকেলী গ্রামের হাবিব (ছদ্ম নাম) এর সাথে। কিন্তু বিবাহের পর থেকেই তার ওপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন। হাবিব পেশায় একজন সিএনজি চালক। কিন্তু সে এতটাই অলস যে, সে ঠিকমত কাজ করতো না। সিএনজি চালানোর কথা বলে অন্য কোথাও গিয়ে বসে লুডু খেলত কিংবা কোন গাছ তলায় গাড়ি রেখে ঘুমাতো। বিধায় হাবিব, মিতার ভরণপোষণ খাবার দাবার ঠিক মতো দিতে পারতো না। একপর্যায়ে হাবিব মিতার পরিবারের কাছে যৌতুক চাওয়া শুরু করে। যৌতুক না দিতে পারায় হাবিব ও তার পরিবার মিতার উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। নির্যাতন করতে করতে একদিন মিতার কাছ থেকে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে মিতাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। বাবার বাড়ি যাওয়ার বেশ কিছুদিন পরে কোন সমাধান না পেয়ে মিতা ও তার মা মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হয়। মিতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় মিতা তার কাবিনের টাকা সহ সবকিছু স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তাদের মাফ করে দিয়ে নিজ ইচ্ছায় বাবার বাড়ি চলে এসেছে। প্রথমত আমরা মূল স্ট্যাম্পটি উদ্ধার করি। অতঃপর প্রকৃত রহস্য জানতে পারি যে, মিতা নিজ ইচ্ছায় চলে আসেনি বরং তাকে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে চলে আসতে বাধ্য করা হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য মানবাধিকারের পক্ষ থেকে দুই পক্ষকে ডাকা হয় এবং একটি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে সুন্দর সমাধান হয়। আমরা সর্বপ্রথম হাবিব দৈনন্দিন কাজ ঠিকমতো করে তার পরিবার চালানোর মত ক্ষমতা আছে কিনা এটা পরীক্ষা করার জন্য নিরপেক্ষ তিনজন লোক ঠিক করে দেই। যদি হাবিব ঠিক হতে পারে তাহলে সংসারটা সুন্দরভাবে মিতা করবে মর্মে রাজি হয়। কিন্তু প্রায় পাঁচ মাস চলে যাওয়ার পরেও হাবিব তার দৈনন্দিন কাজ ঠিকমতো করতেছিল না। বরং শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মিতার কাছ থেকে পকেট খরচ নিয়ে আসতো।এত কিছুর পরেও মিতা যথেষ্ট চেষ্টা করেছে সংসার করার জন্য। কিন্তু অবশেষে হাবিবের এই অলসতা ও স্ত্রী-সংসারের প্রতি অমনোযোগীর জন্য কোনভাবেই মিতা সংসারে টিকতে পারেনি। অবশেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে মিতার বিবাহের সময় বরপক্ষ বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া মালামাল এবং কাবিন এর টাকা উদ্ধার করতে সম্ভব হয়। যদিও কাবিনের টাকা ছেলেপক্ষ কিস্তিতে পরিশোধ করছেন। আজকে তার মোহরানার শেষ কিস্তির টাকা নিতে মিতা এসেছিলেন। ইতিমধ্য উভয়ের ডিভোর্স লেটারের স্বাক্ষর হয়েছে। ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক একে অপরকে তালাক প্রদান করেছেন। আজকে মিতা এবং হাবিবের সকল লেনদেন শেষ হলো। আমার দেখা মতে ঝগড়াঝাঁটি অন্যান্য বিরোধ যা কিছু হোক না কেন শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ মেয়েরাই স্বামীকে ছেড়ে যেতে চায় না। মাঝে মাঝে অবাক লাগে এই পৃথিবীতে মিতার মতো সহজ সরল কত মেয়ে কত ত্যাগ স্বীকার করে শেষ পর্যন্ত স্বামীর সংসার ছাড়তে বাধ্য হয়!!!!

খুব সহজ সরল এবং খুব চালাক মেয়েরা খুব বেশি প্রতারণার শিকার হয় Read More »

কিছু হলেই ডিভোর্স নয়, চেষ্টা করুন সমঝোতা করা যায় কিনা

প্লিজ আপনাদের নিজেদের সুখের জন্য আপনাদের জীবদ্দশায় বাচ্চাকে এতিম করবেন না🙏🙏🙏🙏 কিছু দিন আগেকার কথা। একজন ভদ্র মহিলা স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে ৬ মাসের বাচ্চা সহ আমার মানবাধিকার সংস্থায় এসেছিলেন তার স্বামীকে তালাক দেওয়ার জন্য। বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে অনেক সময় খেলা করলাম। বাচ্চাটাও এত সুন্দর এবং মিশুক সে খুব শীঘ্রই আমার সঙ্গে মিশে গেল। কখনো কখনো সে আমাকে পাপা দিচ্ছিলো আবার কখনো কখনো আমার দিকে একভাবে তাকিয়ে ছিল, মনে হচ্ছিল আমি ওর কত দিনের চেনা। পরে, আমি স্বামী স্ত্রী দুজনকে একসাথে ডাকি, তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত বোঝার পর তাদের দুজনকে তালাক দিতে নিরুৎসাহিত করি। এত কিউট একটি বাচ্চা তাদের আল্লাহতালা দিয়েছে সেই বাচ্চাটার কথা বোঝালাম, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বোঝালাম। হয়তো মনোমালিন্য টা অনেক বড় ছিল । বুঝি একজন নারী কখনো অযথা একজন স্বামীকে ডিভোর্স করতে আসে না। অনেক বোঝানোর পরে অবশেষে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় দুজনই সংসার জীবনের ফিরে যান। যাইহোক ডিভোর্স বর্তমানে এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে যে সামান্য তর্ক বিতর্ক হলে তালাক দিয়ে দেয়! আমার মতে যে সকল স্বামী স্ত্রী বাবা মা হয়েছেন তাদের ডিভোর্স এর সিদ্ধান্তের বিষয়ে অন্তত সন্তানের কথা ভেবে অনেকবার ভাবা উচিত। তালাকের বিষয়টা রাগের মাথায় না হয়ে মল বিরোধের প্রমানসাপেক্ষ হওয়া উচিত।। সর্বশেষ সকলের উদ্দেশ্যে বলবো বাচ্চা থাকা অবস্থায় দয়া করে কেউ কাউকে ডিভোর্স দেবেন না। বাবা মায়ের মাঝে ডিভোর্স হওয়া সন্তানগুলোর জীবন এতিমের মতোই হয়ে থাকে। জীবনে অনকে সমস্যা থাকবে, অনেক সমস্যার সমাধান ও হবেনা। তারপরও আমি বলবো বাচ্চা থাকা অবস্থায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন সংসার ঠিক রাখার । আপনার চিন্তাও করতে পারবেন না ডিভোর্স পরিবারের সন্তানগুলো কতটা হতাশা আর অসহায়ত্ব নিয়ে বড় হয়। প্লিজ আপনাদের জন্য আপনাদের জীবদ্দশায় বাচ্চাটাকে এতিম করবেন না।

কিছু হলেই ডিভোর্স নয়, চেষ্টা করুন সমঝোতা করা যায় কিনা Read More »

ধর্ম পরিচয় গোপন করে বিয়ে করা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন

সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত এক ভাই তার ধর্ম পরিচয় গোপন করে মুসলিম এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে। দাম্পত্য জীবনে সন্তান রয়েছে। যখন তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা যায় একপর্যায়ে কনে পক্ষ জানতে পারে ছেলেটি হিন্দু পরিবারের। এই বিরোধ নিয়ে মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ হওয়ার পর স্বামী স্ত্রীকে সংস্থার পক্ষ থেকে সালিশ সমাধানের জন্য ডাকা হয়। অনেক কাউন্সিল করার পর ইনশাল্লাহ পারিবারিক বিরোধ সমাধান হয়েছে এবং ছেলেটি সংসার আরো সুন্দর করার জন্য নিজ ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হন। তার ইচ্ছা অনুযায়ী সংস্থার পক্ষ হতে আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে এবং একজন হুজুরের উপস্থিতিতে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে সহযোগিতা করা হয়। আলহামদুলিল্লাহ তারা পরিবার নিয়ে অনেক ভালো আছেন

ধর্ম পরিচয় গোপন করে বিয়ে করা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন Read More »

পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক

বিয়াই বিয়ানের প্রেমের সম্পর্কে পৃথিবীতে আসলো নিষ্পাপ শিশু, পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক ছবিতে থাকা নিষ্পাপ মায়াবী চেহারার শিশুটির এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়াই যেন তার অপরাধ ছিলো। ঘটনাটি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এবং এই ঘটনা কিছুদিন পূর্বের। বিয়াই এবং বিয়ানের মধ্য (বিয়াই-বিয়াইন বলতে, মেয়ের বোন ছেলের ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে, এই সম্পর্কটাকে এক এক এলাকায় একেক নামে ডেকে থাকে। বিশেষ করে সিলেটে এটাকে তালতো ভাই বোন বলে ) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক থেকে তাদের মধ্য শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়াইন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়াই খুব বিপদে পড়ে যায়। চেষ্টা করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার কিন্তু ততক্ষণে বিয়াইন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিধায় কোনভাবেই বাচ্চা নষ্ট করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে কল ধরে পৃথিবীতে আসে ফুট ফুটে এই নিষ্পাপ সন্তানটি। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে পড়লে বিয়াইন ও তার পরিবার চরম চাপের মুখে পড়ে যায়। স্বীকার করতে বাধ্য হয় এই বাচ্চার জন্মদাতা কে। অন্যদিকে বিয়াই ঘটনা ততক্ষণে অস্বীকার করে ফেলছে। ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, সমাজ বিয়াইনের পরিবার সহ গ্রাম থেকে বের করে দেয়, এলাকার চেয়ারম্যানের কাছেও বিচারজেকোন জায়গা হয়নি। এই পরিবারটি অনেক জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে জায়গা না পেয়ে খুব বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এ সময় তারা নাকি দুই দিন না খেয়ে ছিল । বাড়ি থেকে যখন তাদের বের হতে হয়েছে তখন তারা তেমন কিছু নিয়ে বের হতে পারেনি। এমতাবস্থায় তারা আমাদের অফিসের সন্ধান পায়। মেয়েটি ও তার পরিবার আমাদের অফিসে এসে লিখিত অভিযোগ করলে সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল ঘটনার সত্য তথ্য গঠনে মাঠে নামেন এবং ঘটনার সত্যতা পান। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিয়াই এরই মধ্য তিনি ক্যানাডার ভিসা কনফার্ম করে ফেলেছেন। যেদিন লাগিছ গুছিয়ে বিয়াই ক্যানাডার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হবেন ঠিক ওই সময় মানবাধিকারের টিম বিশ্বনাথ থানার পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বিয়াই এর বাড়িতে হাজির। মানবাধিকারের টিম ও পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পিছনের দরজা খুলে বের হয়ে ধান ক্ষেত ভিতর দিয়ে বিয়াই দৌড়ের উপরে দৌড়। ওই সময় বাড়িতে উপস্থিত অভিভাবকবৃন্দ এবং এলাকার মুরুব্বিয়ানবৃন্দ একদিনের মধ্যে ঘটনার সমাধান করার আশ্বস্ত করেন। সারারাত প্রচন্ড হুমকির মুখে পড়ে যাই, একের পর এক ফোনে হুমকি আসতে থাকে। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়, নিষ্পাপ শিশুর পিতৃত্ব পরিচয় চাই। উপায় না পেয়ে পরবর্তী দিনেই বিয়াই ও তাদের পরিবার এবং স্থানীয় মুরুব্বিগণ সহ অনেক নেতা মানবাধিকার কার্যালয়ে আসেন। আলহামদুলিল্লাহ অনেক আলাপ আলোচনা শেষে ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ টাকা) দেন মোহরনায় বিয়াইর সঙ্গে বিয়ানের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ছোট নিষ্পাপ শিশুটি পিতৃত্ব পরিচয় পায়। বিয়াইন ও তার পরিবার সমাজে স্থান পায়। আমাদের মানবাধিকার কর্মীদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় যখন এই ছোট শিশুটি যখন তার পিতৃত্ব পরিচয়ের অধিকার পেলো, একজন নারী ও তার পরিবার যখন সমাজে তাদের সামাজিকভাবে বসবাস করার অধিকার পেল তখন একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে যে আত্মতৃপ্তি, সুখ এবং শান্তি পাওয়া যায় তা পৃথিবীর অন্য কিছুতে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রেমিক-প্রেমিকাদের উদ্দেশ্যে বলছি আমি প্রেমের বিপক্ষে নই , তবে অবৈধ সম্পর্কের পক্ষেও নই।

পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক Read More »

সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট

শাশুড়ির কুপরামর্শে দাম্পত্য জীবন অবশেষে তালাকে পরিণত হলো সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট আমার কোলে থাকা শিশু সন্তানটিকে বলবো মাফ করে দিস মা। আমি পারলাম না তোর বাবা মাকে এক করতে। বড় হয়ে আমাকে অভিশাপ দিস না মা। বিশ্বাস কর, আমি যথেষ্ট চেষ্টা করেছি তোর বাবা-মার সংসার জোড়া লাগাতে। কিন্তু বাস্তবতার কাছে আমি হেরে গিয়েছি। কোলে থাকা ছোট শিশু বাচ্চাটি যার বয়স সবে মাত্র এক মাস একদিন। বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাটে । এখনো সে চিনতে শেখেনি কে তার বাবা, কে তার মা। কিন্তু এই একমাস একদিন বয়সে শিশু বাচ্চাটি মা-বাবা থাকতেও এতিম হতে হলো। শিশু বাচ্চাটি পৃথিবীতে আসার আগেই মায়ের গর্ভে থাকাকালীন ডিসিশন হয়েছিল শিশু বাচ্চাটি জন্মের পরে বিবাহ বিচ্ছেদ হবে। আমি চেষ্টা করেছিলাম বাচ্চা জন্মের পরে হয়তোবা বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যদের মন ঘুরে যেতে পারে। কিন্তু তা আর হলো না, শেষ পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন বিচ্ছেদে পরিণত হলো। অল্প কিছুক্ষণ আমার কোলে শিশুটি ছিল। অত্যন্ত মিশুক এই শিশু সন্তানটি। আমার কোলে যাওয়ার পর সে আমার সঙ্গে তার ভাষায় কথা বলতেছিল। আমার কাছে মনে হচ্ছিল ও বারবার বলতেছে তুমি আমার বাবা মাকে একসঙ্গে করে দাও। এ সময় আমি খুব আবেগী হয়ে গিয়েছিলাম। সত্যি বিষয়টি অনেক কষ্টকর ছিল। আমার কাছে ফরিয়াদ জানাই কোন বিচার করতে গিয়ে এমন ঘটনার সম্মুখীন যেন আমার কখনো আর হতে না হয়। তবে পুরো ঘটনা বিশ্লেষণ করে যেটা পেয়েছি এখানে মেয়ের মা-বাবা এবং ছেলের মায়ের পারস্পরিক মতবিরোধের জন্যই সংসারটি ধ্বংস হয়ে গেল। বিশেষ করে মেয়ের মা যদি চাইতেন তাহলে সংসারটা টিকানো সম্ভব হইতো। তিনি সবসময়ই মেয়েকে খারাপ পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন। আমার কাছে অভিযোগের পরে মেয়ের মা সব সময় চেয়েছেন কিভাবে কাবিনের টাকা উত্তোলন করে কত দ্রুত ডিভোর্স সম্পূর্ণ করা যায় এবং এই কথায় মেয়ের বাবা ও একমত পোষণ করে আমাকে ডিভোর্স করার জন্য বারবার চাপ সৃষ্টি করেছেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হল যেদিন এই ছোট শিশু বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করে ঐদিন বিকেলেই আমাকে ফোন করে মেয়ের বাবা বলেন ডিভোর্সের ব্যবস্থা আমি কখন করব এবং এই সন্তান ছেলেপক্ষকে কোন সময় হস্তান্তর করব। অবাক লাগে এরকম মা-বাবার আচরণে , সাথে ঘৃণা করি ও ধিক্কার জানাই এই সমস্ত মা-বাবাকে। আসলে একটা সংসার ভাঙার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাশুড়িরাই দায়ী হয়ে থাকেন। আমি ডিভোর্সের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ছেলে মেয়েকে আলাদা করে আলোচনার সুযোগ দিয়েছি কিন্তু উভয়পক্ষ তাদের সিদ্ধান্তে অটল। পরিশেষে এই পরিবারটি আপোষের ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে। সন্তানটি বর্তমানে মায়ের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং সন্তানের ভরণপোষণ বাবা দিবেন। মেয়ের কাবিনের মোহরানার টাকা ও ব্যবহার সময় বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। খুব কষ্ট লাগে শুনেছি ছেলে ডিভোর্স এর এক সপ্তাহ পরেই বিয়ে করবে, ডিভোর্সের আগেই মেয়ে দেখে কমপ্লিট করে রেখেছে এদিকে মেয়ে ও তার পরিবার কাবিনের মোহরানার টাকা পেয়ে মহা খুশি। তাহলে সকল দোষ কি এই শিশু সন্তানের??? পৃথিবীতে আসা কি তার জন্য অভিশাপ??? এরা কি একবার ভাবলো না, এই সন্তানের ভবিষ্যৎ কি হবে?? যাদের সন্তান আছে তারা ডিভোর্সের আগে একবার নয় হাজার বার ভাবুন। প্লিজ অন্তত সন্তানের কথা ভেবে সংসারটাকে ছিন্নভিন্ন করবেন না।

সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট Read More »

সিলেট পীরেরবাজার এলাকা থেকে বীমা কোম্পানিতে চাকরী দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ

*প্রভাবশালী একটি মহল ধর্ষণের ঘটনাকে চাপা দিতে কিশোরীর পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করেছে। *আইনি সহায়তা দিতে ভিকটিমের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবাধিকার সংস্থা, আসক। সিলেট শাহপরাণ থানাধীন পীরের বাজার এলাকার আনিসুর রহমান কর্তৃক একই এলাকার মিতু আক্তার (ছদ্ম নাম) নামের ১৬ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কিশোরীর মা আইনি সহায়তা চেয়ে মানবাধিকার সংস্থায় একটি আবেদন করেছেন। আবেদনকারী তার আবেদনে লিখিতভাবে উল্লেখ করেন যে, মিতু আক্তার এর বাবা নেই। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি একমাত্র অসুস্থ মা। তাই পরিবারের সকলের জীবন বাঁচাতে মিতু আক্তার টিলাগড়ে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন। এই সময় ইমোর মাধ্যমে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। মিজানুর রহমান মিতু আক্তার কে গৃহপরিচারিকার কাজ ছেড়ে দিয়ে চাকরি করার জন্য অফার দেয়। সহজ সরল ভাবে মিতু আক্তার তার প্রস্তাবে রাজি হলে মিজানুর রহমান তাকে নিয়ে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সিলেট শহরে গিয়ে একটি আভিজাত হোটেলে উঠে। গ্রামের সহজ সরল মেয়ে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিজানুর রহমান রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও চিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিওর ভয় দেখিয়ে মিতু আক্তারকে গত দেড় মাসে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। উপায় না পেয়ে মিতু আক্তার তার পরিবারের কাছে বিষয়টি বললে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি এলাকার সমাধান করবে বলে কিছু প্রভাবশালী মহল ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী একজন আইনজীবির কাছে গিয়েও নাকি মিতু আক্তার এর পরিবার তেমন ভালো কোন সহযোগিতা পান নাই। অবশেষে মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশনে আইনী সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন মিতুর মা। ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চভাবে ন্যায্য বিচার পেয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আইনিভাবে মিতু আক্তার ও তার পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে। বিঃদ্রঃ: চাকুরী করার লক্ষ্যে এই ভাবেই যত্রতত্র কোন মা-বোনেরা কারো সঙ্গে একাকী ভাবে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

সিলেট পীরেরবাজার এলাকা থেকে বীমা কোম্পানিতে চাকরী দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ Read More »

ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা সেই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ হয়েছে

গোয়াইনঘাট উপজেলার মধ্যে জাফলং ইউনিয়নের গুলজারুল উলুম রাধানগর মাদ্রাসায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে আহত হয়েছে ফাহিম আহমদ (৯) নামের এর শিক্ষার্থী । সে ঐ মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীর ছাত্র এবং স্থানীয় ইসলামপুর ত্রিপুরা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার পুত্র। ঘটনাটি ফেসবুক থেকে জানার পর মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনা তথ্য উদঘাটন করেন। আহত ফাহিম আহমেদের পিতা জাহাঙ্গীর সাহেবের সঙ্গে আমাদের ইতিমধ্য কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন এই পর্যন্ত কোন ব্যক্তি ঘটনাটি সমাধান করতে তার কাছে যাননি। তবে বাচ্চাকে দেখতে মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহ আরো দুই একজন গিয়েছিলেন। এদিকে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মহোদয় ফোনে বলেন বেত্রাঘাত করা শিক্ষকের তেমন দোষ নেই। এই পর্যন্ত আহত ছাত্র ফাহিম আহমেদের চিকিৎসার জন্য তার বাবাকে ৫০০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে এবং ফাহিম আহমেদের জন্য ২৫০ টাকার টোচ, বিস্কিট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ সময় মোবাইল কনফারেন্সে আহত ছাত্রের বাবা জাহাঙ্গীরকে আনলে তিনি জানান তাকে এই পর্যন্ত কোন প্রকার টাকা-পয়সা দেওয়া হয় নাই। বাচ্চার চিকিৎসার জন্য একটা টাকাও কেউ তাকে সহযোগিতা করে নাই। এ সময় প্রিন্সিপাল সাহেব থতমত খেয়ে তখন বলেন টাকাটা ওই এলাকার মুরব্বিদের কাছে দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় অন্যায়ের পরেও একজন প্রিন্সিপাল এইভাবে পক্ষপাতিত্ব করে, প্রকৃত সত্য ঘটনা চাপা দিতে চায়, একজন মাদ্রাসার প্রধান হওয়া সত্ত্বেও স্ট্যান্ড বাই মিথ্যা কথা বলেন, যিনি এখন পর্যন্ত আহত ছাত্রকে দেখতে যাননি, সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ভালো কি এমন আশা করা যায়!!! সর্বশেষ আপডেট , আহত ফাহিম আহমেদ এর পিতা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা সেই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ হয়েছে Read More »

গরীবের আল্লাহ আছে

সিলেটের জৈন্তাপুরের গরীব দিন মজুর পরিবারের মেয়ে সুফিয়া (ছদ্ম নাম)। গ্রামের অন্য পাঁচটি মেয়ের মতই সুফিয়ার বেড়ে ওঠা। প্রতিবেশী মোঃ লিবির নজর পড়ে সুফিয়ার উপর। সুফিয়া কে উত্ত্যক্ত করতে করতে একটা পর্যায়ে বিষয়টি খুব গভীর হয়। বিষয়টি বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও সুপিয়ার পরিবার গরিব বিধায় স্থানীয়ভাবে কোন বিচার পাচ্ছিল না। বরং স্থানীয় মোড়ল দ্বারা সুফিয়ার বাবা-মা বারবার অপমানিত অপদস্ত হতে হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তৎকালীন সময়ে থানায় অভিযোগ করার পরেও অভিযোগটা আমলে নেওয়া হয়নি। এরই মাঝে সুফিয়ার বাবা মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হন। আমরা বিষয়টির আলোকে আবেদন নিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করে ঘটানার সত্যতা পাই। যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে বিচারক নামের যে আমলা তাদের সন্ধানও মেলে। এই সকল আমলা আমাদের প্রায় সকল গ্রামেই কম বেশি পাওয়া যায়। যারা টাকার বিনিময় সত্য ঘটনাকে চাপা দিয়ে বিচারক সেজে বিচার করে। আমরা বিষয়টি নিয়ে হাত দেওয়ার পর ঐ সমস্ত আমলাবৃন্দ সুবিধা ভোগ করতে না পেরে আস্তে আস্তে সরে যায়। আর তাদের সরে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কারণ মানবাধিকার এ আমলাদের কোন জায়গা নেই। অতঃপর উভয়পক্ষের প্রকৃত অভিভাবক নিয়ে বসা হয়। সকল আলাপ আলোচনা শেষে সুফিয়া এবং লিবির পারিবার উভয়কে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ কর্মী মর্মে সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশের বৈবাহিক আইন ও ইসলামিক আইন অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। এই আমলারা চাইলে নিরপেক্ষভাবে এই সমাধানটি স্থানীয় পর্যায়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সামান্য কিছু টাকার জন্য তারা এই সমস্ত গরিব মানুষকে হয়রানি করে থাকেন। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই এই আমলাদের দেখা যায়। এদের কারণেই একটা সুস্থ ঘটনা অসুস্থ হয়ে ওঠে, এদের কারণেই ঝগড়া ফ্যাসাদ দ্রুত শেষ না হয়ে স্থায়ীকরণ হয়। তাই এরকম আমলাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সবার আগে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। কোন ঘটনা ঘটলেই আমাদের কোন আমলা বা দালালের শরনাপন্ন হওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে থানা, লিগ্যাল এইড কিংবা স্বচ্ছ মানবাধিকার সংগঠনের এর শরণাপন্ন হওয়া উত্তম।

গরীবের আল্লাহ আছে Read More »

প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী সুমা বেগম (ছদ্ম নাম), শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ এনেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের শাহপরান থানাধীন ধনকান্দি গ্রামে। এই বিষয়ে স্থানীয়ভাবে অনেকবার বিচার সালিশ হলেও সমাধান হয়নি । ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি। প্রবাসীর স্ত্রী মানবাধিকার সংস্থা একটি আবেদন করেছেন। তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন তার শ্বশুর খুবই খারাপ প্রকৃতির আইন অমান্যকারী, উগ্র, দুশ্চরিত্র, ধর্ষণ ও প্রতারণাকারী প্রকৃতির লোক। আবেদনকারী বিবাদীর মেজ পুত্রবধূ এবং তার স্বামী প্রবাসে (দুবাই) অবস্থানরত। স্বামী বিদেশ যাত্রার পর হতে ৬ বছরের ছেলে সন্তান জাকুওয়ান সহ শ্বশুর বাড়িতে নিজ গৃহে বসবাস করিয়া আসিতেছেন। কিন্তু শ্বশুর একজন দুশ্চরিত্র ব্যক্তি। তিনি ইতিপূর্বে চারটি বিবাহ সম্পন্ন করিয়াছেন, তবুও নারীদের প্রতি অশোভন আচরণ ও খারাপ দৃষ্টিতে কথাবার্তা বলেন। এছাড়া তার শ্বশুর ইতিপূর্বে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের জন্য জেল খেটেছেন। বেশ আগে থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে অশালীন প্রস্তাব প্রদান করেন। প্রথমে মান-সম্মানের ভয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও পরবর্তীতে তিনি আমাকে গভীর রাতে তার বেডরুমে গিয়ে হাত-পা মালিশ করার প্রস্তাব দেন, তখন সুমা অপরাগতা প্রকাশ করেন। কিছুদিন পূর্বে শ্বশুর তার গায়ে জোরপূর্বক হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার দেন এসময় তিনি রুম ত্যাগ করেন। ভয় পেয়ে সুমা নিজের আত্মসম্মানের কারণে নিজ পিত্রালয়ে চলে যান এবং প্রায় ৪৫ দিন সেখানে অবস্থান করি। পরবর্তীতে প্রবাসে থাকা স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে তাহাকে পুনরায় সংসারে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। স্বামীর আকুতি এবং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে শ্বশুর বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু ফিরে আসার পর শ্বশুর পুনরায় তার প্রতি অশালীন আচরণ ও অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হইবার চেষ্টা করেন। তখন সুমা বিষয়টি স্বামী সহ পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের অবগত করেন। এরই মাঝে গত ১০/১১/২০২৫ইং তারিখ দুপুর ১২:০০ ঘটিকায়, আমি আমার শয়নকক্ষে অবস্থান করাকালীন সময়ে তার কক্ষে প্রবেশ করিয়া ধর্ষণের উদ্দেশ্যে গায়ে হাত দেয় এবং আমার শরীরের শস্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে ধর্ষনের চেষ্টা করেন। এসময় সুমা চিৎকার করলে তিনি রুম থেকে বের হয়ে ধারালো দা হাতে নিয়ে আমাকে ও আমার সন্তানকে হত্যার হুমকি প্রদান করেন। আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও স্থানীয় মুরব্বিয়ানগণ ছুটে এসে শ্বশুরকে নিবৃত্ত করেন। পরবর্তীতে সে বিষয়টি স্বামীকে অবগত করিলে পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়ে ব্যর্থ হয়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পান নাই। এরপরেও সে স্বামীর বাড়িতেই ছিল। এমতবস্থায় হঠাৎ গত ১৮/১১/২০২৫ইং তারিখে সন্ধা আনুমানিক ৭:০০ সাত ঘটিকার সময় ঘরের মধ্য খাটে শুয়ে ছিল। এরই মাঝে শ্বশুর তার ঘরে প্রবেশ করে আমার মুখ চেপে ধরে জামা ও সেলোয়ার খুলার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তিতে শ্বশুর কর্তৃক হাত ও বুক ক্ষত হয়। এসময় শ্বশুর তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার মুখ থেকে শ্বশুরের হাত সরে যায়। এসময় সুমার শোর চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা আসলে শশুর ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এসময় সে কোন উপায় না পেয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে স্বামীর নির্দেশে আইনি সহায়তার জন্য মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হয়েছেন। ইতিমধ্যে সংস্থার পক্ষ থেকে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে । আশা করি খুব শীঘ্রই ভালো একটা আপডেট দিতে পারব।

প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ Read More »