ফেসবুক ও টিকটক এর পরকীয়ার কাছে হেরে যাচ্ছে সংসার

“”স্বামী চারটা বিয়ে করুক সমস্যা নেই কিন্তু শর্ত হচ্ছে একই রুমে একই খাটে সকল স্ত্রীকে নিয়ে একসঙ্গে ঘুমাতে হবে””
ফেসবুক ও টিকটক এর পরকীয়ার কাছে হেরে যাচ্ছে একটি সংসার। ডিভোর্সের দ্বারপ্রান্তে গোয়াইঘাটের আসমার দাম্পত্য জীবন।
২০২৩ সালে গোয়ানঘাটের গুরকুচি পশ্চিমপাড় জনাব ইলিয়াস আলীর ছেলে সেলিম আহমেদ এর সঙ্গে আসমার (ছদ্ম নাম) বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সেলিম ফেসবুক ও টিকটক আসক্ত হয়ে পড়ে। একাধিক মেয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আসমার ভাষ্য মতে কোনো কোনো মেয়েকে সে বিয়ের প্রলোভন ওর সেলিব্রিটি করার লোভ দেখিয়ে সিলেট শহরে বিভিন্ন জায়গায় দিনের পর দিন সময় কাটিয়েছে। এরই মাঝে এভাবে আসমা দুইবার অন্তঃসত্ত্বা হলেও সেলিম ও তার পরিবারের অবহেলার কারণে দুইবারই সন্তান মারা যায়। বর্তমান আসমা ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। হঠাৎ ছেলে নিরুদ্দেশ। অন্যদিকে কোন এক মেয়ের সঙ্গে আসমার কথা হলে সে জানায় সেলিম ঐ মেয়েকে বিয়ে করেছে। বিষয়টি নিয়ে যখন কোনোভাবেই আসমা বিচার পাচ্ছিল না তখন আমাদের শরণাপন্ন হয়। আমরা নোটিশ করার পরে সেলিম নড়েচড়ে বসে। দ্রুত সে অন্যত্র থেকে গ্রামের বাড়িতে এসে স্থানীয় কিছু মুরুব্বীদের হাত করে একটা আপোষ করার চেষ্টা করে। দুর্ভাগ্যবশত আপোষনামাটি আমাদের হাতে পড়ার পর দেখতে পাই আসমাকে এই লিখিত আপোষনামার মাধ্যমে প্রচণ্ডভাবে এই মুরুব্বীরা ঠকিয়েছে। গ্রামের সহজ সরল আসমা ও তার পরিবারকে এই কাগজের স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়েছে। ভাগ্য ভালো আপোষনামার মূল কপিটি আমাদের কাছে আসার পর বিস্তারিত জেনে আসমা তার পরিবারের চোখ খুলে যায়। টিকটকার সেলিম আহমেদ ও তার অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি সমাধান করার নাটক করলেও ধরা পড়ে গিয়েছে। বিষয়টা নিয়ে উভয়পক্ষ মিলে আমরা বসে একটি সমাধানের চেষ্টা চালিয়েছি। তবে সেলিমের পরিবার সমাধান চাইলেও ফেসবুক এবং টিকটকের নেশায় আসক্ত সেলিম সমাধান চাচ্ছে না। এরই মাঝে সুন্দর একটি প্রস্তাব এসেছে সেলিম আহমেদ আরো তিনটা বিয়ে করলেও আসমার কোন আপত্তি নেই তবে শর্ত হচ্ছে একই ঘরে একই খাটে চার স্ত্রীকে নিয়ে থাকতে হবে।পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ বিস্তারিত আপডেট জানাব।