*প্রভাবশালী একটি মহল ধর্ষণের ঘটনাকে চাপা দিতে কিশোরীর পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করেছে।
*আইনি সহায়তা দিতে ভিকটিমের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবাধিকার সংস্থা, আসক।
সিলেট শাহপরাণ থানাধীন পীরের বাজার এলাকার আনিসুর রহমান কর্তৃক একই এলাকার মিতু আক্তার (ছদ্ম নাম) নামের ১৬ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কিশোরীর মা আইনি সহায়তা চেয়ে মানবাধিকার সংস্থায় একটি আবেদন করেছেন। আবেদনকারী তার আবেদনে লিখিতভাবে উল্লেখ করেন যে, মিতু আক্তার এর বাবা নেই। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি একমাত্র অসুস্থ মা। তাই পরিবারের সকলের জীবন বাঁচাতে মিতু আক্তার টিলাগড়ে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন। এই সময় ইমোর মাধ্যমে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। মিজানুর রহমান মিতু আক্তার কে গৃহপরিচারিকার কাজ ছেড়ে দিয়ে চাকরি করার জন্য অফার দেয়। সহজ সরল ভাবে মিতু আক্তার তার প্রস্তাবে রাজি হলে মিজানুর রহমান তাকে নিয়ে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সিলেট শহরে গিয়ে একটি আভিজাত হোটেলে উঠে। গ্রামের সহজ সরল মেয়ে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিজানুর রহমান রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও চিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিওর ভয় দেখিয়ে মিতু আক্তারকে গত দেড় মাসে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। উপায় না পেয়ে মিতু আক্তার তার পরিবারের কাছে বিষয়টি বললে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি এলাকার সমাধান করবে বলে কিছু প্রভাবশালী মহল ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী একজন আইনজীবির কাছে গিয়েও নাকি মিতু আক্তার এর পরিবার তেমন ভালো কোন সহযোগিতা পান নাই। অবশেষে মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশনে আইনী সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন মিতুর মা। ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চভাবে ন্যায্য বিচার পেয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আইনিভাবে মিতু আক্তার ও তার পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।
বিঃদ্রঃ: চাকুরী করার লক্ষ্যে এই ভাবেই যত্রতত্র কোন মা-বোনেরা কারো সঙ্গে একাকী ভাবে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
