গোয়াইনঘাট উপজেলার মধ্যে জাফলং ইউনিয়নের গুলজারুল উলুম রাধানগর মাদ্রাসায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে আহত হয়েছে ফাহিম আহমদ (৯) নামের এর শিক্ষার্থী । সে ঐ মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীর ছাত্র এবং স্থানীয় ইসলামপুর ত্রিপুরা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার পুত্র। ঘটনাটি ফেসবুক থেকে জানার পর মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনা তথ্য উদঘাটন করেন। আহত ফাহিম আহমেদের পিতা জাহাঙ্গীর সাহেবের সঙ্গে আমাদের ইতিমধ্য কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন এই পর্যন্ত কোন ব্যক্তি ঘটনাটি সমাধান করতে তার কাছে যাননি। তবে বাচ্চাকে দেখতে মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহ আরো দুই একজন গিয়েছিলেন। এদিকে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মহোদয় ফোনে বলেন বেত্রাঘাত করা শিক্ষকের তেমন দোষ নেই। এই পর্যন্ত আহত ছাত্র ফাহিম আহমেদের চিকিৎসার জন্য তার বাবাকে ৫০০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে এবং ফাহিম আহমেদের জন্য ২৫০ টাকার টোচ, বিস্কিট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ সময় মোবাইল কনফারেন্সে আহত ছাত্রের বাবা জাহাঙ্গীরকে আনলে তিনি জানান তাকে এই পর্যন্ত কোন প্রকার টাকা-পয়সা দেওয়া হয় নাই। বাচ্চার চিকিৎসার জন্য একটা টাকাও কেউ তাকে সহযোগিতা করে নাই। এ সময় প্রিন্সিপাল সাহেব থতমত খেয়ে তখন বলেন টাকাটা ওই এলাকার মুরব্বিদের কাছে দেওয়া হয়েছে।
যেখানে এত বড় অন্যায়ের পরেও একজন প্রিন্সিপাল এইভাবে পক্ষপাতিত্ব করে, প্রকৃত সত্য ঘটনা চাপা দিতে চায়, একজন মাদ্রাসার প্রধান হওয়া সত্ত্বেও স্ট্যান্ড বাই মিথ্যা কথা বলেন, যিনি এখন পর্যন্ত আহত ছাত্রকে দেখতে যাননি, সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ভালো কি এমন আশা করা যায়!!!
সর্বশেষ আপডেট , আহত ফাহিম আহমেদ এর পিতা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
