Press Release

ধর্ম পরিচয় গোপন করে বিয়ে করা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন

সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত এক ভাই তার ধর্ম পরিচয় গোপন করে মুসলিম এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে। দাম্পত্য জীবনে সন্তান রয়েছে। যখন তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা যায় একপর্যায়ে কনে পক্ষ জানতে পারে ছেলেটি হিন্দু পরিবারের। এই বিরোধ নিয়ে মানবাধিকার সংস্থায় অভিযোগ হওয়ার পর স্বামী স্ত্রীকে সংস্থার পক্ষ থেকে সালিশ সমাধানের জন্য ডাকা হয়। অনেক কাউন্সিল করার পর ইনশাল্লাহ পারিবারিক বিরোধ সমাধান হয়েছে এবং ছেলেটি সংসার আরো সুন্দর করার জন্য নিজ ইচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হন। তার ইচ্ছা অনুযায়ী সংস্থার পক্ষ হতে আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে এবং একজন হুজুরের উপস্থিতিতে তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে সহযোগিতা করা হয়। আলহামদুলিল্লাহ তারা পরিবার নিয়ে অনেক ভালো আছেন

ধর্ম পরিচয় গোপন করে বিয়ে করা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন Read More »

পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক

বিয়াই বিয়ানের প্রেমের সম্পর্কে পৃথিবীতে আসলো নিষ্পাপ শিশু, পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক ছবিতে থাকা নিষ্পাপ মায়াবী চেহারার শিশুটির এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়াই যেন তার অপরাধ ছিলো। ঘটনাটি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এবং এই ঘটনা কিছুদিন পূর্বের। বিয়াই এবং বিয়ানের মধ্য (বিয়াই-বিয়াইন বলতে, মেয়ের বোন ছেলের ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে, এই সম্পর্কটাকে এক এক এলাকায় একেক নামে ডেকে থাকে। বিশেষ করে সিলেটে এটাকে তালতো ভাই বোন বলে ) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক থেকে তাদের মধ্য শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়। বিয়াইন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়াই খুব বিপদে পড়ে যায়। চেষ্টা করে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার কিন্তু ততক্ষণে বিয়াইন ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিধায় কোনভাবেই বাচ্চা নষ্ট করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে কল ধরে পৃথিবীতে আসে ফুট ফুটে এই নিষ্পাপ সন্তানটি। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে পড়লে বিয়াইন ও তার পরিবার চরম চাপের মুখে পড়ে যায়। স্বীকার করতে বাধ্য হয় এই বাচ্চার জন্মদাতা কে। অন্যদিকে বিয়াই ঘটনা ততক্ষণে অস্বীকার করে ফেলছে। ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, সমাজ বিয়াইনের পরিবার সহ গ্রাম থেকে বের করে দেয়, এলাকার চেয়ারম্যানের কাছেও বিচারজেকোন জায়গা হয়নি। এই পরিবারটি অনেক জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে জায়গা না পেয়ে খুব বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এ সময় তারা নাকি দুই দিন না খেয়ে ছিল । বাড়ি থেকে যখন তাদের বের হতে হয়েছে তখন তারা তেমন কিছু নিয়ে বের হতে পারেনি। এমতাবস্থায় তারা আমাদের অফিসের সন্ধান পায়। মেয়েটি ও তার পরিবার আমাদের অফিসে এসে লিখিত অভিযোগ করলে সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল ঘটনার সত্য তথ্য গঠনে মাঠে নামেন এবং ঘটনার সত্যতা পান। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিয়াই এরই মধ্য তিনি ক্যানাডার ভিসা কনফার্ম করে ফেলেছেন। যেদিন লাগিছ গুছিয়ে বিয়াই ক্যানাডার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হবেন ঠিক ওই সময় মানবাধিকারের টিম বিশ্বনাথ থানার পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বিয়াই এর বাড়িতে হাজির। মানবাধিকারের টিম ও পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পিছনের দরজা খুলে বের হয়ে ধান ক্ষেত ভিতর দিয়ে বিয়াই দৌড়ের উপরে দৌড়। ওই সময় বাড়িতে উপস্থিত অভিভাবকবৃন্দ এবং এলাকার মুরুব্বিয়ানবৃন্দ একদিনের মধ্যে ঘটনার সমাধান করার আশ্বস্ত করেন। সারারাত প্রচন্ড হুমকির মুখে পড়ে যাই, একের পর এক ফোনে হুমকি আসতে থাকে। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড়, নিষ্পাপ শিশুর পিতৃত্ব পরিচয় চাই। উপায় না পেয়ে পরবর্তী দিনেই বিয়াই ও তাদের পরিবার এবং স্থানীয় মুরুব্বিগণ সহ অনেক নেতা মানবাধিকার কার্যালয়ে আসেন। আলহামদুলিল্লাহ অনেক আলাপ আলোচনা শেষে ৪,০০,০০০/- (চার লক্ষ টাকা) দেন মোহরনায় বিয়াইর সঙ্গে বিয়ানের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ছোট নিষ্পাপ শিশুটি পিতৃত্ব পরিচয় পায়। বিয়াইন ও তার পরিবার সমাজে স্থান পায়। আমাদের মানবাধিকার কর্মীদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় যখন এই ছোট শিশুটি যখন তার পিতৃত্ব পরিচয়ের অধিকার পেলো, একজন নারী ও তার পরিবার যখন সমাজে তাদের সামাজিকভাবে বসবাস করার অধিকার পেল তখন একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে যে আত্মতৃপ্তি, সুখ এবং শান্তি পাওয়া যায় তা পৃথিবীর অন্য কিছুতে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রেমিক-প্রেমিকাদের উদ্দেশ্যে বলছি আমি প্রেমের বিপক্ষে নই , তবে অবৈধ সম্পর্কের পক্ষেও নই।

পিতৃত্ব পরিচয় দাবিতে শিশুটির পাশে মানবাধিকার সংস্থা আসক Read More »

সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট

শাশুড়ির কুপরামর্শে দাম্পত্য জীবন অবশেষে তালাকে পরিণত হলো সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট আমার কোলে থাকা শিশু সন্তানটিকে বলবো মাফ করে দিস মা। আমি পারলাম না তোর বাবা মাকে এক করতে। বড় হয়ে আমাকে অভিশাপ দিস না মা। বিশ্বাস কর, আমি যথেষ্ট চেষ্টা করেছি তোর বাবা-মার সংসার জোড়া লাগাতে। কিন্তু বাস্তবতার কাছে আমি হেরে গিয়েছি। কোলে থাকা ছোট শিশু বাচ্চাটি যার বয়স সবে মাত্র এক মাস একদিন। বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাটে । এখনো সে চিনতে শেখেনি কে তার বাবা, কে তার মা। কিন্তু এই একমাস একদিন বয়সে শিশু বাচ্চাটি মা-বাবা থাকতেও এতিম হতে হলো। শিশু বাচ্চাটি পৃথিবীতে আসার আগেই মায়ের গর্ভে থাকাকালীন ডিসিশন হয়েছিল শিশু বাচ্চাটি জন্মের পরে বিবাহ বিচ্ছেদ হবে। আমি চেষ্টা করেছিলাম বাচ্চা জন্মের পরে হয়তোবা বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যদের মন ঘুরে যেতে পারে। কিন্তু তা আর হলো না, শেষ পর্যন্ত দাম্পত্য জীবন বিচ্ছেদে পরিণত হলো। অল্প কিছুক্ষণ আমার কোলে শিশুটি ছিল। অত্যন্ত মিশুক এই শিশু সন্তানটি। আমার কোলে যাওয়ার পর সে আমার সঙ্গে তার ভাষায় কথা বলতেছিল। আমার কাছে মনে হচ্ছিল ও বারবার বলতেছে তুমি আমার বাবা মাকে একসঙ্গে করে দাও। এ সময় আমি খুব আবেগী হয়ে গিয়েছিলাম। সত্যি বিষয়টি অনেক কষ্টকর ছিল। আমার কাছে ফরিয়াদ জানাই কোন বিচার করতে গিয়ে এমন ঘটনার সম্মুখীন যেন আমার কখনো আর হতে না হয়। তবে পুরো ঘটনা বিশ্লেষণ করে যেটা পেয়েছি এখানে মেয়ের মা-বাবা এবং ছেলের মায়ের পারস্পরিক মতবিরোধের জন্যই সংসারটি ধ্বংস হয়ে গেল। বিশেষ করে মেয়ের মা যদি চাইতেন তাহলে সংসারটা টিকানো সম্ভব হইতো। তিনি সবসময়ই মেয়েকে খারাপ পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন। আমার কাছে অভিযোগের পরে মেয়ের মা সব সময় চেয়েছেন কিভাবে কাবিনের টাকা উত্তোলন করে কত দ্রুত ডিভোর্স সম্পূর্ণ করা যায় এবং এই কথায় মেয়ের বাবা ও একমত পোষণ করে আমাকে ডিভোর্স করার জন্য বারবার চাপ সৃষ্টি করেছেন। আশ্চর্যজনক বিষয় হল যেদিন এই ছোট শিশু বাচ্চাটি জন্মগ্রহণ করে ঐদিন বিকেলেই আমাকে ফোন করে মেয়ের বাবা বলেন ডিভোর্সের ব্যবস্থা আমি কখন করব এবং এই সন্তান ছেলেপক্ষকে কোন সময় হস্তান্তর করব। অবাক লাগে এরকম মা-বাবার আচরণে , সাথে ঘৃণা করি ও ধিক্কার জানাই এই সমস্ত মা-বাবাকে। আসলে একটা সংসার ভাঙার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে শাশুড়িরাই দায়ী হয়ে থাকেন। আমি ডিভোর্সের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত ছেলে মেয়েকে আলাদা করে আলোচনার সুযোগ দিয়েছি কিন্তু উভয়পক্ষ তাদের সিদ্ধান্তে অটল। পরিশেষে এই পরিবারটি আপোষের ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে। সন্তানটি বর্তমানে মায়ের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং সন্তানের ভরণপোষণ বাবা দিবেন। মেয়ের কাবিনের মোহরানার টাকা ও ব্যবহার সময় বাবার বাড়ি থেকে দেওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। খুব কষ্ট লাগে শুনেছি ছেলে ডিভোর্স এর এক সপ্তাহ পরেই বিয়ে করবে, ডিভোর্সের আগেই মেয়ে দেখে কমপ্লিট করে রেখেছে এদিকে মেয়ে ও তার পরিবার কাবিনের মোহরানার টাকা পেয়ে মহা খুশি। তাহলে সকল দোষ কি এই শিশু সন্তানের??? পৃথিবীতে আসা কি তার জন্য অভিশাপ??? এরা কি একবার ভাবলো না, এই সন্তানের ভবিষ্যৎ কি হবে?? যাদের সন্তান আছে তারা ডিভোর্সের আগে একবার নয় হাজার বার ভাবুন। প্লিজ অন্তত সন্তানের কথা ভেবে সংসারটাকে ছিন্নভিন্ন করবেন না।

সুন্দর একটি সংসার ভাঙার জন্য শাশুড়িরাই যথেষ্ট Read More »

সিলেট পীরেরবাজার এলাকা থেকে বীমা কোম্পানিতে চাকরী দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ

*প্রভাবশালী একটি মহল ধর্ষণের ঘটনাকে চাপা দিতে কিশোরীর পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করেছে। *আইনি সহায়তা দিতে ভিকটিমের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবাধিকার সংস্থা, আসক। সিলেট শাহপরাণ থানাধীন পীরের বাজার এলাকার আনিসুর রহমান কর্তৃক একই এলাকার মিতু আক্তার (ছদ্ম নাম) নামের ১৬ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে কিশোরীর মা আইনি সহায়তা চেয়ে মানবাধিকার সংস্থায় একটি আবেদন করেছেন। আবেদনকারী তার আবেদনে লিখিতভাবে উল্লেখ করেন যে, মিতু আক্তার এর বাবা নেই। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি একমাত্র অসুস্থ মা। তাই পরিবারের সকলের জীবন বাঁচাতে মিতু আক্তার টিলাগড়ে একটি বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন। এই সময় ইমোর মাধ্যমে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের সাথে তার পরিচয় হয়। মিজানুর রহমান মিতু আক্তার কে গৃহপরিচারিকার কাজ ছেড়ে দিয়ে চাকরি করার জন্য অফার দেয়। সহজ সরল ভাবে মিতু আক্তার তার প্রস্তাবে রাজি হলে মিজানুর রহমান তাকে নিয়ে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সিলেট শহরে গিয়ে একটি আভিজাত হোটেলে উঠে। গ্রামের সহজ সরল মেয়ে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই মিজানুর রহমান রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও চিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিডিওর ভয় দেখিয়ে মিতু আক্তারকে গত দেড় মাসে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। উপায় না পেয়ে মিতু আক্তার তার পরিবারের কাছে বিষয়টি বললে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি এলাকার সমাধান করবে বলে কিছু প্রভাবশালী মহল ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী একজন আইনজীবির কাছে গিয়েও নাকি মিতু আক্তার এর পরিবার তেমন ভালো কোন সহযোগিতা পান নাই। অবশেষে মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশনে আইনী সহায়তা চেয়ে আবেদন করেছেন মিতুর মা। ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চভাবে ন্যায্য বিচার পেয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আইনিভাবে মিতু আক্তার ও তার পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে। বিঃদ্রঃ: চাকুরী করার লক্ষ্যে এই ভাবেই যত্রতত্র কোন মা-বোনেরা কারো সঙ্গে একাকী ভাবে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

সিলেট পীরেরবাজার এলাকা থেকে বীমা কোম্পানিতে চাকরী দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ Read More »

ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা সেই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ হয়েছে

গোয়াইনঘাট উপজেলার মধ্যে জাফলং ইউনিয়নের গুলজারুল উলুম রাধানগর মাদ্রাসায় শিক্ষকের বেত্রাঘাতে আহত হয়েছে ফাহিম আহমদ (৯) নামের এর শিক্ষার্থী । সে ঐ মাদ্রাসার ২য় শ্রেনীর ছাত্র এবং স্থানীয় ইসলামপুর ত্রিপুরা গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার পুত্র। ঘটনাটি ফেসবুক থেকে জানার পর মানবাধিকার সংস্থা, আসক ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনা তথ্য উদঘাটন করেন। আহত ফাহিম আহমেদের পিতা জাহাঙ্গীর সাহেবের সঙ্গে আমাদের ইতিমধ্য কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন এই পর্যন্ত কোন ব্যক্তি ঘটনাটি সমাধান করতে তার কাছে যাননি। তবে বাচ্চাকে দেখতে মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সহ আরো দুই একজন গিয়েছিলেন। এদিকে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মহোদয় ফোনে বলেন বেত্রাঘাত করা শিক্ষকের তেমন দোষ নেই। এই পর্যন্ত আহত ছাত্র ফাহিম আহমেদের চিকিৎসার জন্য তার বাবাকে ৫০০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে এবং ফাহিম আহমেদের জন্য ২৫০ টাকার টোচ, বিস্কিট নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ সময় মোবাইল কনফারেন্সে আহত ছাত্রের বাবা জাহাঙ্গীরকে আনলে তিনি জানান তাকে এই পর্যন্ত কোন প্রকার টাকা-পয়সা দেওয়া হয় নাই। বাচ্চার চিকিৎসার জন্য একটা টাকাও কেউ তাকে সহযোগিতা করে নাই। এ সময় প্রিন্সিপাল সাহেব থতমত খেয়ে তখন বলেন টাকাটা ওই এলাকার মুরব্বিদের কাছে দেওয়া হয়েছে। যেখানে এত বড় অন্যায়ের পরেও একজন প্রিন্সিপাল এইভাবে পক্ষপাতিত্ব করে, প্রকৃত সত্য ঘটনা চাপা দিতে চায়, একজন মাদ্রাসার প্রধান হওয়া সত্ত্বেও স্ট্যান্ড বাই মিথ্যা কথা বলেন, যিনি এখন পর্যন্ত আহত ছাত্রকে দেখতে যাননি, সেই প্রতিষ্ঠান থেকে ভালো কি এমন আশা করা যায়!!! সর্বশেষ আপডেট , আহত ফাহিম আহমেদ এর পিতা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা সেই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় অভিযোগ হয়েছে Read More »

গরীবের আল্লাহ আছে

সিলেটের জৈন্তাপুরের গরীব দিন মজুর পরিবারের মেয়ে সুফিয়া (ছদ্ম নাম)। গ্রামের অন্য পাঁচটি মেয়ের মতই সুফিয়ার বেড়ে ওঠা। প্রতিবেশী মোঃ লিবির নজর পড়ে সুফিয়ার উপর। সুফিয়া কে উত্ত্যক্ত করতে করতে একটা পর্যায়ে বিষয়টি খুব গভীর হয়। বিষয়টি বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হলেও সুপিয়ার পরিবার গরিব বিধায় স্থানীয়ভাবে কোন বিচার পাচ্ছিল না। বরং স্থানীয় মোড়ল দ্বারা সুফিয়ার বাবা-মা বারবার অপমানিত অপদস্ত হতে হয়েছে। নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তৎকালীন সময়ে থানায় অভিযোগ করার পরেও অভিযোগটা আমলে নেওয়া হয়নি। এরই মাঝে সুফিয়ার বাবা মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হন। আমরা বিষয়টির আলোকে আবেদন নিয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করে ঘটানার সত্যতা পাই। যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে বিচারক নামের যে আমলা তাদের সন্ধানও মেলে। এই সকল আমলা আমাদের প্রায় সকল গ্রামেই কম বেশি পাওয়া যায়। যারা টাকার বিনিময় সত্য ঘটনাকে চাপা দিয়ে বিচারক সেজে বিচার করে। আমরা বিষয়টি নিয়ে হাত দেওয়ার পর ঐ সমস্ত আমলাবৃন্দ সুবিধা ভোগ করতে না পেরে আস্তে আস্তে সরে যায়। আর তাদের সরে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। কারণ মানবাধিকার এ আমলাদের কোন জায়গা নেই। অতঃপর উভয়পক্ষের প্রকৃত অভিভাবক নিয়ে বসা হয়। সকল আলাপ আলোচনা শেষে সুফিয়া এবং লিবির পারিবার উভয়কে বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ কর্মী মর্মে সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশের বৈবাহিক আইন ও ইসলামিক আইন অনুযায়ী তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। এই আমলারা চাইলে নিরপেক্ষভাবে এই সমাধানটি স্থানীয় পর্যায়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সামান্য কিছু টাকার জন্য তারা এই সমস্ত গরিব মানুষকে হয়রানি করে থাকেন। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি গ্রামেই এই আমলাদের দেখা যায়। এদের কারণেই একটা সুস্থ ঘটনা অসুস্থ হয়ে ওঠে, এদের কারণেই ঝগড়া ফ্যাসাদ দ্রুত শেষ না হয়ে স্থায়ীকরণ হয়। তাই এরকম আমলাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সবার আগে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। কোন ঘটনা ঘটলেই আমাদের কোন আমলা বা দালালের শরনাপন্ন হওয়া উচিত নয়। প্রয়োজনে থানা, লিগ্যাল এইড কিংবা স্বচ্ছ মানবাধিকার সংগঠনের এর শরণাপন্ন হওয়া উত্তম।

গরীবের আল্লাহ আছে Read More »

প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী সুমা বেগম (ছদ্ম নাম), শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ এনেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের শাহপরান থানাধীন ধনকান্দি গ্রামে। এই বিষয়ে স্থানীয়ভাবে অনেকবার বিচার সালিশ হলেও সমাধান হয়নি । ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি। প্রবাসীর স্ত্রী মানবাধিকার সংস্থা একটি আবেদন করেছেন। তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন তার শ্বশুর খুবই খারাপ প্রকৃতির আইন অমান্যকারী, উগ্র, দুশ্চরিত্র, ধর্ষণ ও প্রতারণাকারী প্রকৃতির লোক। আবেদনকারী বিবাদীর মেজ পুত্রবধূ এবং তার স্বামী প্রবাসে (দুবাই) অবস্থানরত। স্বামী বিদেশ যাত্রার পর হতে ৬ বছরের ছেলে সন্তান জাকুওয়ান সহ শ্বশুর বাড়িতে নিজ গৃহে বসবাস করিয়া আসিতেছেন। কিন্তু শ্বশুর একজন দুশ্চরিত্র ব্যক্তি। তিনি ইতিপূর্বে চারটি বিবাহ সম্পন্ন করিয়াছেন, তবুও নারীদের প্রতি অশোভন আচরণ ও খারাপ দৃষ্টিতে কথাবার্তা বলেন। এছাড়া তার শ্বশুর ইতিপূর্বে কাজের মেয়েকে ধর্ষনের জন্য জেল খেটেছেন। বেশ আগে থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে অশালীন প্রস্তাব প্রদান করেন। প্রথমে মান-সম্মানের ভয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও পরবর্তীতে তিনি আমাকে গভীর রাতে তার বেডরুমে গিয়ে হাত-পা মালিশ করার প্রস্তাব দেন, তখন সুমা অপরাগতা প্রকাশ করেন। কিছুদিন পূর্বে শ্বশুর তার গায়ে জোরপূর্বক হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার দেন এসময় তিনি রুম ত্যাগ করেন। ভয় পেয়ে সুমা নিজের আত্মসম্মানের কারণে নিজ পিত্রালয়ে চলে যান এবং প্রায় ৪৫ দিন সেখানে অবস্থান করি। পরবর্তীতে প্রবাসে থাকা স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে তাহাকে পুনরায় সংসারে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। স্বামীর আকুতি এবং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে বাধ্য হয়ে শ্বশুর বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু ফিরে আসার পর শ্বশুর পুনরায় তার প্রতি অশালীন আচরণ ও অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হইবার চেষ্টা করেন। তখন সুমা বিষয়টি স্বামী সহ পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনদের অবগত করেন। এরই মাঝে গত ১০/১১/২০২৫ইং তারিখ দুপুর ১২:০০ ঘটিকায়, আমি আমার শয়নকক্ষে অবস্থান করাকালীন সময়ে তার কক্ষে প্রবেশ করিয়া ধর্ষণের উদ্দেশ্যে গায়ে হাত দেয় এবং আমার শরীরের শস্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে ধর্ষনের চেষ্টা করেন। এসময় সুমা চিৎকার করলে তিনি রুম থেকে বের হয়ে ধারালো দা হাতে নিয়ে আমাকে ও আমার সন্তানকে হত্যার হুমকি প্রদান করেন। আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও স্থানীয় মুরব্বিয়ানগণ ছুটে এসে শ্বশুরকে নিবৃত্ত করেন। পরবর্তীতে সে বিষয়টি স্বামীকে অবগত করিলে পারিবারিক ও স্থানীয় ভাবে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়ে ব্যর্থ হয়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পান নাই। এরপরেও সে স্বামীর বাড়িতেই ছিল। এমতবস্থায় হঠাৎ গত ১৮/১১/২০২৫ইং তারিখে সন্ধা আনুমানিক ৭:০০ সাত ঘটিকার সময় ঘরের মধ্য খাটে শুয়ে ছিল। এরই মাঝে শ্বশুর তার ঘরে প্রবেশ করে আমার মুখ চেপে ধরে জামা ও সেলোয়ার খুলার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তিতে শ্বশুর কর্তৃক হাত ও বুক ক্ষত হয়। এসময় শ্বশুর তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে আমার মুখ থেকে শ্বশুরের হাত সরে যায়। এসময় সুমার শোর চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা আসলে শশুর ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এসময় সে কোন উপায় না পেয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরবর্তীতে স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে স্বামীর নির্দেশে আইনি সহায়তার জন্য মানবাধিকার সংস্থার শরণাপন্ন হয়েছেন। ইতিমধ্যে সংস্থার পক্ষ থেকে ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে । আশা করি খুব শীঘ্রই ভালো একটা আপডেট দিতে পারব।

প্রবাসীর স্ত্রীকে শ্বশুর কর্তৃক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ Read More »

একজন মেয়ের জীবন কি মা-বাবা আর স্বামীর ইচ্ছের উপরেই নির্ভরশীল?

একজন মেয়ের জীবন কি মা-বাবা আর স্বামীর ইচ্ছের উপরেই নির্ভরশীল!!??? * স্বামী নির্যাতন করলে এবং দাম্পত্য জীবনে না চাইলে তার ডিভোর্স মেনে নিতে হবে * অন্যদিকে মা বাবা কবিনের টাকার লোভে মেয়েকে বাধ্য করেন ডিভোর্স দেওয়াতে এভাবে চলতে থাকলে একটা মেয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে??? এমনি একটা ঘটনা স্বাক্ষী হলাম। শুধুমাত্র মায়ের খারাপ পরামর্শের কারণে মেয়েকে স্বামীর বাড়ি থেকে কাবিনের টাকা নিয়ে ফিরতে হলো। মেয়েটির খুব ইচ্ছে ছিল স্বামীর সংসার করার। কিন্তু বিগত সময়ে মায়ের কথা শুনে স্বামীকে এতটাই তিক্ত করে ফেলছে যে, সেই সংসার করা কোনভাবেই সম্ভব হলোনা। সাথে বাবা-মা থাকা সত্ত্বেও অসহায় হতে হল এক মাসের শিশু সন্তান!! তাই পৃথিবীর সকল মা বাবাকে বলবো কখনো কোন লোভে পড়ে প্লিজ সন্তানকে বউ ছাড়ার জন্য কিংবা স্বামীকে ছাড়ার জন্য পরামর্শ দিবেন না। অন্যদিকে স্বামী এবং স্ত্রীকে বলবো আপনারাও কখনো মা-বাবা কিংবা অন্য কারোর খারাপ পরামর্শে সংসারে অশান্তি আনবেন না।

একজন মেয়ের জীবন কি মা-বাবা আর স্বামীর ইচ্ছের উপরেই নির্ভরশীল? Read More »

শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

ভালোলাগার অন্যরকম মুহূর্ত। কোরআনের পাখিদের সাথে কিছুক্ষণ। আজকে কোরআনের পাখিদের জন্য রোটারি ক্লাব অব সিলেট ক্বীন ব্রিজের পক্ষ থেকে শিক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশে মান্যবর পুলিশ কমিশনার জনাব আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম মহোদয়।

শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ Read More »

প্রবাসীর বাড়ি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ

ফ্রান্সে পরিবার নিয়ে বসবাসকারী প্রবাসী সিরাজুল ইসলাম। বাংলাদেশে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৈত্রিক বাড়ী। সিলেট শহরে ইসলামপুর এলাকায় এই সম্মানিত প্রবাসীর একটি বাড়ি রয়েছেন। বাসাটি সুনামগঞ্জের ফারুক মিয়া নামক এক লোকের কাছে তিনি ভাড়া দিয়ে রেখেছেন। ফারুক মিয়া পরিবারবর্গ নিয়েই এ বাড়িতে থাকেন। ফ্রান্স প্রবাসী সিরাজুল ইসলামের এই বাড়িটি প্রয়োজন না থাকায় তিনি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভাড়াটিয়া। এই ভাড়াটিয়ার নজর পড়েছে বাড়িটির দিকে। ভাটিয়া যেভাবে হোক জবরদখল করে এই বাড়িটি হাতিয়ে নিতে চায়। মানবাধিকার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এমনটাই অভিযোগ আনেন এই সম্মানিত প্রবাসী। মানবাধিকার একটি টিম প্রবাসী ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে এই বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্য কাজ শুরু করেছেন।এমন যদি হয় প্রবাসীদের প্রতি আমাদের আচরণ তাহলে প্রবাসীরা আস্তে আস্তে আমাদের দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন। তাই প্রবাসীদের যে কোন বিপদ-আপদে আমাদের এগিয়ে আসা উচিত। আমরা অনেকেই প্রবাসীদের সম্পদের উপর লোভ করে থাকি। আমরা মনে করি প্রবাসীরা সীমিত সময় ছুটি নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। আর এই সময়ে আমাদের দেশের যে আইনি জটিলতা রয়েছে সেই জটিলতা থেকে কোনভাবেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয় না । একসময় তাদের হতাশ হয়ে জীবন জীবিকার তাগিদে আবার প্রবাসে চলে যেতে হয়। আর এই সুযোগগুলো আমাদের দেশে থাকা কিছু অসৎ মানুষ নিয়ে থাকেন। তাই আমি মনে করি প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বস্তরের লোকদের প্রবাসীদের কোন সমস্যা হলে সেটাকে অতীব গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ে অর্থাৎ প্রবাসীদের নির্ধারিত ছুটি থাকার মধ্যই সেটার সমাধান দেওয়া উচিত।

প্রবাসীর বাড়ি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ Read More »